তিন দফা দাবি আদায়ে লাগাতার কর্মবিরতির কারণে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে আজ বৃহস্পতিবার ক্ষুব্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে পরীক্ষার দায়িত্ব নিলেন অভিভাবকেরা। ঘটনাটি ঘটে কুষ্টিয়া শহরতলির ১৮ নম্বর লাহিনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। জানা যায়, সকালে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা না নেওয়ায় উত্তেজিত অভিভাবকেরা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে নিজ উদ্যোগে পরীক্ষার আয়োজন করেন। প্রশ্ন বিতরণ, খাতা সংগ্রহ, শৃঙ্খলা রক্ষা সবকিছুই সামলান তাঁরা। একপর্যায়ে অভিভাবকদের তীব্র চাপ ও বিক্ষোভের মুখে প্রায় ১ ঘণ্টা পর বার্ষিক পরীক্ষা নিতে বাধ্য হন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষকদের দাবি থাকতেই পারে, তবে পরীক্ষার সময় কর্মবিরতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁরা বলেন, ‘সন্তানদের সারা বছরের পরিশ্রমের মূল্যায়ন এ পরীক্ষা। আন্দোলনের কারণে তা নষ্ট হতে দিতে পারি না, তাই বাধ্য হয়েই পরীক্ষার দায়িত্ব নিয়েছি।’ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদুল করিম বলেন, অভিভাবকদের তীব্র চাপ এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নির্দেশনায় পরীক্ষা নিতে হয়েছে। পরীক্ষায় অভিভাবকেরাই সহযোগিতা করছেন বলে জানান তিনি। অন্যদিকে আন্দোলনরত শিক্ষকেরা জানান, ১১তম গ্রেডসহ তিন...
দেশের সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা টানা কর্মবিরতি পালন করায় আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত...
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তিন দফা দাবিতে একটানা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে দেশের সাড়ে ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে...
কাঙ্ক্ষিত দশম গ্রেড বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা না পেয়ে আবারও রাজপথে নেমেছেন দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল...