মনোনয়ন না পাওয়া নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন রুমিন ফারহানা

নিউজ ডেস্ক
 ছবি:
ছবি:

বিএনপির সিনিয়র আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, মনোনয়ন প্রক্রিয়া এবং দলীয় জোট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। এক টেলিভিশন আলোচনায় তিনি দলের অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি, মনোনয়ন বণ্টন এবং নেতাকর্মীদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে খোলামেলা বক্তব্য দিয়েছেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপি এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট আলোচনা ও আসন ভাগাভাগিতে সক্রিয়। দীর্ঘদিন ধরে দলের পাশে থাকা নেতা-কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নতুন কিছু দলের সঙ্গেও সমঝোতা চলছে, এবং জোটের স্বার্থে কিছু আসনে ছাড় দেওয়া হতে পারে।

তিনি জানান, ৬৩টি আসনে এখনো মনোনয়ন ঘোষণা বাকি, এবং এসব আসনের বেশিরভাগই জোটের দাবি অনুযায়ী বণ্টন হবে। সেই সঙ্গে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এমন প্রার্থীদের, যারা বাস্তবিকভাবে জয়ের সম্ভাবনা রাখেন।

নিজের মনোনয়ন প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, তা অস্থায়ীভাবে স্থগিত আছে, এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি। তিনি স্বীকার করেন, কিছু নেতাকর্মী মনোনয়ন না পেয়ে প্রতিবাদ করেছেন— যা বড় দলের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

রুমিন ফারহানা জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রার্থীদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন এবং মনোনয়ন বণ্টনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবাইকে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “৩০০ আসনের মধ্যে কেবল ৩০০ জনকেই মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব। যারা এবার পাননি, ভবিষ্যতে অন্য দায়িত্ব বা সুযোগ পেতে পারেন।”

মনোনয়ন না পাওয়া নেতাকর্মীদের আবেগের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, “নেতাকর্মীদের ত্যাগ ও শ্রমই প্রার্থী তৈরি করে। তাই মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক, এবং এই আবেগকেও সম্মান করা উচিত।”

নারী প্রার্থীর বিষয়ে তিনি জানান, বিএনপি ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দেওয়ার নীতি মেনে চলছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৯–১০ জন নারী মনোনয়ন পেয়েছেন, এবং আরও ৪–৫টি আসনে সুযোগ রয়েছে।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচনের প্রস্তুতির জটিলতা, যেখানে নেতাকর্মীদের আবেগকে সম্মান জানিয়ে দলীয় লক্ষ্যে একসাথে কাজ করার গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত