আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লেবানন সীমান্তে আবারও তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এবার লেবাননের অভ্যন্তরে টার্গেটেড হামলা চালিয়ে হিজবুল্লাহর একজন শীর্ষ সামরিক কমান্ডারকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) লেবাননের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এই হামলার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের (সাউথ লেবানন) একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইসরায়েলি ড্রোন বা যুদ্ধবিমানের হামলায় এই শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়।
নিহত কমান্ডারের ভূমিকা: নিহত কমান্ডার হিজবুল্লাহর সামরিক শাখায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন। তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সীমান্ত সংঘাত ও অন্যান্য সামরিক অভিযানের সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে সাধারণত এই ধরনের হামলার দায় স্বীকার করা না হলেও, তারা জানিয়েছে যে তারা সন্ত্রাসীদের টার্গেট করে হামলা অব্যাহত রাখবে।
হিজবুল্লাহর কঠোর হুঁশিয়ারি: এই হামলার পর হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক এক বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং এই হত্যার কঠোর ও উপযুক্ত প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "শত্রুদের এই কাপুরুষোচিত কাজের ফল তাদের ভোগ করতেই হবে। রক্ত দিয়ে এই শাহাদাতের (শহীদ হওয়া) দাম মেটানো হবে।"
বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজা সংঘাতের মধ্যেই ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ নিয়মিত হয়ে উঠেছে। তবে শীর্ষস্থানীয় নেতাকে টার্গেট করা এই ঘটনা সংঘাতকে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে এবং এটি সামগ্রিক আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি।