চল্লিশে পা দিলেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর থামার কোনো লক্ষণ নেই। মাঠে এখনো দুর্দান্ত ফর্মে সময় কাটাচ্ছেন এই পর্তুগিজ সুপারস্টার। কবে অবসর নেবেন—তা অনিশ্চিত হলেও, অবসরের পর কোথায় থাকবেন সেই স্বপ্নের ঠিকানার নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। রোনালদো ও তার সঙ্গী জর্জিনা রদ্রিগেজের জন্য নির্মিত এই রিটায়ার্ড হোমকে পর্তুগালের সবচেয়ে বড় ও বিলাসবহুল ব্যক্তিগত ম্যানশন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যার মূল্য প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ ইউরো—বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৬৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
সমুদ্রঘেঁষা এই বিশাল ম্যানশনে রয়েছে আধুনিক স্পা, ব্যক্তিগত সিনেমা হল এবং সামনে বিস্তৃত আটলান্টিক মহাসাগরের দৃশ্য। এছাড়া দুটি সুইমিং পুল, প্রায় ২০টি গাড়ি রাখার সক্ষমতাসম্পন্ন গ্যারেজসহ নানা অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে। তবে রোনালদো আদৌ কবে এই বাড়িতে উঠবেন, নাকি উঠবেনই না—সে বিষয়ে এখনো কিছু নিশ্চিত নয়।
২০২০ সালে শুরু হওয়া এই ম্যানশনের নির্মাণকাজ প্রায় ছয় বছর ধরে চলে। বর্তমানে নির্মাণ শেষ হয়ে রোনালদো ও জর্জিনার হাতে চাবি তুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পর্তুগিজ সাময়িকী সেমানা জানিয়েছে, এটি বর্তমানে দেশের অন্যতম দামী ব্যক্তিগত বাড়ি। আয়তনের দিক থেকেও এটি পর্তুগালের সবচেয়ে বড় ম্যানশন হিসেবে পরিচিত। নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল উপকরণ—ইতালিয়ান মার্বেল পাথর থেকে শুরু করে সোনার তৈরি পানির কল পর্যন্ত।
বাড়িটি মহাসাগর থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে, কাসকাইস অঞ্চলের ১২ হাজার বর্গমিটার জমির ওপর নির্মিত। এর মধ্যে বসবাসযোগ্য জায়গার পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার বর্গমিটার।
এদিকে, রোনালদো এই ম্যানশন বিক্রির কথাও নাকি ভাবছেন—এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থেকেই এমন সিদ্ধান্ত বিবেচনায় আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পর্তুগিজ গণমাধ্যম ভি প্লাস ফামার দাবি, বাড়িটি বিক্রির আগে এখানেই জর্জিনা রদ্রিগেজের সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারেন সিআরসেভেন।