ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে এবার ভিন্ন আঙ্গিকের আলোচনা তৈরি করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল (ছাত্রদল) মনোনীত কার্যনির্বাহী সদস্য পদপ্রার্থী মেহেরুন্নেসা কেয়া। ব্যালট নম্বর ৮০–এ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা কেয়া ইতিমধ্যেই শিক্ষার্থীদের কাছে আলোচিত হয়েছেন তার অঙ্গীকার ও ইশতেহার নিয়ে।
নারীদের সাইবার বুলিং ও হ্যারাসমেন্ট মোকাবেলায় অঙ্গীকার
মেহেরুন্নেসা কেয়া তার নির্বাচনী অঙ্গীকারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও অনলাইন–অফলাইন হ্যারাসমেন্ট প্রতিরোধে। তার মতে—
“ক্যাম্পাস হোক বা সোশ্যাল মিডিয়া, যেকোনো প্রকার হ্যারাসমেন্ট বা সাইবার বুলিং রোধ করা এখন সময়ের দাবি।”
এ লক্ষ্যে তিনি ডাকসু নির্বাচিত হলে ক্যাম্পাসে একটি ২৪/৭ জরুরি সহায়তা হেল্পলাইন ও হেল্প ডেক্স চালুর ঘোষণা দিয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে সময়োপযোগী কারিকুলাম ও বৃত্তি
তার ইশতেহারে রয়েছে—
- শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে কারিকুলাম পরিবর্তন ও সময়োপযোগী করা
- আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করা
- ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের আবাসিক সুবিধা ও হল–সুবিধার উন্নয়ন
ব্যক্তিগত পরিচয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রছুল্লাবাদ ইউনিয়নের কালগড়া গ্রামের কন্যা মেহেরুন্নেসা কেয়া, দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এ বছর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেল থেকে মনোনয়ন পেয়ে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
স্লোগান ও প্রত্যাশা
তার নির্বাচনী স্লোগান—
“আসলে কেয়া হাসবে রোকেয়া।”
অনেক শিক্ষার্থীর আশা, যদি তিনি নির্বাচিত হন তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।